THIS BLOG HAS BEEN PERMANENTLY SHIFTED TO
http://jabirrizvi.wordpress.com/
Sorry for the inconvenience
বাতাসের সুবিশাল বাধা পেরিয়ে
আজ আমি নির্বোধ সুখী।
অস্পৃশ্য হৃদয়ের করুন আর্তি
আন্দোলিত হয় কষ্টময় আবেগে ;
জীবনের অদৃশ্য হাতে আজ
পাওয়া না পাওয়ার ব্যর্থ হিসাব -
ভারসাম্যের বৃথা চেষ্টা !
মিথ্যে ছায়ায় আমার ভালোবাসা
মিথ্যে মায়ায় আমার অহংকার
আর তার স্পর্শে আমার ধ্বংস;
আমার অহমের (ক্ষমাহীন) অপমান।
ব্যাঙ্গের অট্টহাসি পরম আত্মার
“তুমি ভুল, তুমি ব্যর্থ,
বোধহীন এক নিকৃষ্ট সত্ত্বা।
মায়াময় ছায়ায় বন্দী তুমি।”
আর আমার ভালোবাসার আবর্তনে
আমি আজ রক্তাক্ত সুখী।
চেনা দুঃখের মাঝে আমার আকাঙ্খা
বিলীন হয় ছায়ার স্পর্শে।
আমি বলি, “আমি সুখী”।
এভাবেই প্রতারিত করি নিজেকে -
প্রতিনিয়ত।
সত্য বড় নিষ্ঠুর হয়ে এসে দাঁড়ায় -
আমার ছেঁড়া আকাশে।
অদৃশ্য ছায়ার অলীক বিশ্বাসে,
মিথ্যে আলিঙ্গনের আর্দ্র ধুম্রজালে -
আমি আজ প্রতারিত সুখী।
মনটা ভালো নেই। কিন্তু ভালো থাকাটাই স্বাভাবিক। মাত্র কয়েকদিন আগে স্টাডি ট্যুর করে আসলাম। সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, ছেঁড়া দ্বীপ……………… ১১ দিনের লম্বা জার্নি। অনেক মজা, অনেক স্মৃতি, অনেক ছবি…….। পরশু বসে বসে ফেসবুকে সব ছবি আপলোড করলাম।
কাল চারজন মিলে সঙ্গীতায় থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার দেখে আসলাম। পুরাই ফাউল মুভি। এতগুলো টাকা আর সময় নষ্ট হলো। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার হলো, বাংলাদেশের মুভি গুলার রেটিং থাকা উচিৎ। সেই হিসেবে এই মুভির রেটিং PG18 হওয়া উচিত। হা হা হা, অন্ততঃ আমার কাছে এটা এডাল্ট মুভিই মনে হইছে।
আরো একটা অবজারভেশন আছে। ISSB তে ভাইবার সময় ডেপুটি প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞেস করছিল, “এ্যাঁই, তুমি কখনো গার্লস স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকছ?” আমার উত্তরটা ‘না’ ছিল। কিন্তু আজ একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে পাল্টা প্রশ্ন করতাম,”স্যার,ঠিক করে ভেবে বলেন, গার্লস স্কুল নাকি সিনেমা হল?” হা হা হা।
এবার মুভি দেখার এক্সপেরিয়েন্স বলি। অনেকদিন আগে ‘র্যাহনা হে তেরে দিল মে’ নামে একটা হিন্দি মুভি বের হয়েছিল। প্রায় ১৭ বার দেখার সুবাদে মুভিটির অনেক ডায়ালগই আমার মুখস্ত হয়ে গেছে। একটা দৃশ্যে নায়ক তার বাবার কাছে মুভি দেখার জন্য টাকা চায়। টাকা দেবার পর বাবার ডায়লগ,”কর্নার পে সিট লেনা” । ডায়লগটা তখন বুঝতে না পারলেও কাল খুব ভালোভাবে বুঝলাম।
এখন মন খারাপের কারনটা বলি। হুম…….না থাক। শুধু আনন্দটুকুই শেয়ার করি। কষ্টটা না।
শেষের কবিতা’র চরিত্র ও ঘটনাগুলো মাঝে মাঝে বাস্তবেও পাওয়া যায়……
তোমায় এঁকেছি আমার প্রতিটি দৃশ্যের রেখাবৃত্তে, তোমার স্বপ্নকে আমি দিয়েছি প্রাণ আর আমার স্বপ্নে তোমার করাঘাত, প্রতি মুহূর্তে। নিজেকে হয়না চেনা আজও, শুধু নেমেছি অতলে। এখানে একা বসে কতদিন দৃশ্যকে ভাবি তুমি, স্বপ্নকে ভাবি তুমি। তোমার সাজানো দৃশ্যে হাঁটছি গন্তব্যহীন, সমাহিত সময়ের রাত্রির নক্ষত্রকে খুঁজি। আবার দেখা দেয় আলো, তোমার আলিঙ্গনের উষ্ণ ছোঁয়ায়……






